দক্ষিণ চীন সাগরে টহল জোরদার করবে আমেরিকা

আমেরিকা নিয়ন্ত্রিত বেশকিছু ক্ষেপণাস্ত্রবাহী ডেস্ট্রয়ার ওই এলাকা দিয়ে চলাচল করেছে।পেন্টাগনের স্বীকারোক্তি মতে গত ৩০ জানুয়ারি ‘পারাসেল’ দ্বীপপুঞ্জের ট্রিটন দ্বীপের ১২ নটিক্যাল মাইলের মধ্যদিয়ে আমেরিকান ক্ষেপণাস্ত্রবাহী ধংসকারী জাহাজ ‘ইউএসএস কার্টিস উইলবার’ অতিক্রম করেছে।
US_Navy_990709-N-4697S-002_USS_Curtis_Wilbur_(DDG_54)_underway

দক্ষিণ চীন সাগরে নৌবহরের টহল নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছিল চীন ,কারণ চীন মনে করে তাদের আঞ্চলিক ব্যাপারে আমেরিকার নাক গলানোর কোনো কারণ নেই। এছাড়াও ওই সাগরে আমেরিকার তৎপরতাকে ‘প্রনোদনা’ হিসেবে উল্লেখ করেছে চীন।

এদিকে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের আমেরিকার সেনা কমান্ডার অ্যাডমিরাল হেরি হ্যারিস এর পরপরই ঘোষণা দিল -‘ দক্ষিণ চীন সাগরে নৌবহরের টহল আরো শক্তিশালী করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে আমেরিকা ‘ । হেরির মতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা বজায় রাখার লক্ষ্যে টহল তৎপরতা আরো জোরদার করা হবে।

আমেরিকা নিয়ন্ত্রিত বেশকিছু ক্ষেপণাস্ত্রবাহী ডেস্ট্রয়ার ওই এলাকা দিয়ে চলাচল করেছে।পেন্টাগনের স্বীকারোক্তি মতে গত ৩০ জানুয়ারি ‘পারাসেল’ দ্বীপপুঞ্জের ট্রিটন দ্বীপের ১২ নটিক্যাল মাইলের মধ্যদিয়ে আমেরিকান ক্ষেপণাস্ত্রবাহী ধংসকারী জাহাজ ‘ইউএসএস কার্টিস উইলবার’ অতিক্রম করেছে।

এছাড়াও ওয়াশিংটনে আমেরিকান আইন প্রণেতাদের উদ্দেশ্য করে হেরি বলেছে –

‘ ভবিষ্যতে ওই সাগরে আমেরিকার যুদ্ধ বিমান ওড়ানো এবং যুদ্ধ জাহাজ পাঠানো আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় আনা হোক ‘।

উল্লেক্ষ্য, দক্ষিণ চীন সাগরের কিছু বিতর্কিত এলাকাকে ( স্পার্টলি, পারাসেল, প্রাসাটাস এবং স্কেয়ারবোরো দ্বীপপুঞ্জ ) নিজ দেশের অন্তর্ভুক্ত বলে দাবি করছে চীন। পাশাপাশি একই ধরনের দাবি করছে ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই এবং তাইওয়ান ।আর আমেরিকা সভাববসত আঞ্চলিক এ বিরোধে জড়িয়ে পড়েছে এবং চীনের বিরুদ্ধে ফিলিপাইন, জাপান ও তাইওয়ানের মতো মিত্রদেশগুলোর সাথে হাত মিলিয়েছে ।









Leave a Reply